উখিয়ার কুতুপালং এলাকার মৃত রাজমোহন বড়ুয়ার পুত্র সন্তোষ বড়ুয়া। চাকরি করতেন কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের পেশকার হিসেবে। অবসর নিয়েছেন আরও ৫ বছর পূর্বে। সামান্য পেশকারের চাকরি করেই অর্জন করেছেন কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। উখিয়ার কুতুপালংয়ের এই বাসিন্দা পেশকারের চাকরির সুবাধে কক্সবাজার শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মোহাজের পাড়ায় ক্রয় করেছেন একাধিক প্লট। সেই প্লটে কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণ করেছেন ৬ তলা বিশিষ্ট বহুতল ভবন। অভিযোগ উঠেছে- সরকারী চাকরির আঁড়ালে অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি এসব সম্পদের মালিক হয়েছেন।
সরেজমিন তদন্তে গিয়ে জানা যায়- মোহাজের পাড়ায় নির্মিত এই ভবনটি তিনি নির্মাণ করেছেন বছর পাঁচেক আগে। আর জমিটি ক্রয় করেছেন আরও ১৫ বছর পূর্বে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী খোকা চন্দ্র পাল জানিয়েছেন- ভবনটির মালিক সন্তোষ বড়ুয়া। তবে কার নামে জমিটি কেনা হয়েছে তা তিনি নিশ্চিত নন। খোকা স্থানীয় একটি মন্দিরে কাজকর্ম করেন এবং সেখানেই থাকেন বলে দাবী করেছেন প্রতিবেদকের কাছে। জনৈক পুলিশ কর্মকর্তার ঘুষ দুর্নীতির উদাহরণ টেনে তিনি পেশকার সন্তোষের জ্ঞাতআয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বর্ণনা দেন। তবে একটি সূত্র বলছে- মোহাজের পাড়ার এই জমি সন্তোষের স্ত্রী শিল্পী বড়ুয়ার নামেই কেনা হয়েছে।
এব্যাপারে সন্তোষ বড়ুয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা হয় প্রতিবেদকের। এসময় তিনি দাবী করেন- এলাকার একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে তার বিরুদ্ধে এসব দুর্নীতির অভিযোগ দাঁড় করাতে চেষ্টা করছে। জানতে চান- চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করার এতোদিন পর কেনো দুর্নীতির কথা উঠছে। তিনি আরও জানান- ভবনটি তার নামে নয়। তবে এই ভবনে তার প্রবাসী তিন ভাগ্নির পরিবার বসবাস করছেন। কুতুপালংয়ে পৈত্রিক জমিজমা থেকেই পর্যাপ্ত আয় উপার্জন রয়েছে তার।

