পর্যটন খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, দেড় মাস কক্সবাজারের স্পটগুলো ছিল প্রায় পর্যটকশূন্য। লোকারণ্য থাকা সৈকতেও ছিল না পর্যটকের সরব উপস্থিতি। রমজানে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ছাড় দিয়েও প্রত্যাশিত সাড়া মেলেনি হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে। ফলে হোটেল-মোটেল ছাড়াও খাবারের হোটেল, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কিটকট চেয়ার ব্যবসায়ী, ফটোগ্রাফার, জেটস্কি চালক, ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী, জীপচালকসহ পর্যটনসেবীরা বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েন।