সমুদ্রবেলা
  • সংবাদ
  • মতামত
  • খেলাধুলা
  • সংস্কৃতি
  • জীবনধারা
সমুদ্রবেলা-কে সহযোগিতা করুন
নিউজলেটারঅবদান রাখুন
লগইন
  • সংবাদ
  • মতামত
  • খেলাধুলা
  • সংস্কৃতি
  • জীবনধারা
সমুদ্রবেলা
সমুদ্রবেলা

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের গর্বিত সারথি

সম্পাদকঃ কামাল হোসেন আজাদ

মেরি ভবন, ভোলাবাবুর পেট্রোল পাম্পের পাশে, প্রধান সড়ক, কক্সবাজার। যোগাযোগ- 01731227807 মেইল- samudrabelabd@gmail.com.

সামাজিক মাধ্যমের সাথে থাকুন

বিভাগসমূহ

  • |সংবাদ
  • |মতামত
  • |খেলাধুলা
  • |সংস্কৃতি
  • |জীবনধারা

আমাদের সম্পর্কে

  • আমাদের কথা
  • যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • শর্তাবলী

সহায়তা

  • আমাদের সহযোগিতা করুন
  • নিউজলেটার
  • বিজ্ঞাপন দিন

© 2026 সমুদ্রবেলা মিডিয়া গ্রুপ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

গোপনীয়তা নীতিকুকিজ নীতিঅ্যাক্সেসযোগ্যতা
    কক্সবাজার

    এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী

    2026-03-18T12:38:49.000000Z

    পড়তে পারেন

    1

    কক্সবাজারে ২০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার তুলে দিল সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র

    2

    কক্সবাজারে ছওয়াব’র উদ্যোগে এতিম ও অসহায়দের মাঝে রামাদান ফুডপ্যাক বিতরণ

    3

    Eid-ul-Fitr Greetings From ‍SAWAB Chairman

    4

    কক্সবাজারে এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে একতা শক্তি যুব কল্যাণ সংস্থার ইফতার

    5

    পালংখালীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিএনপি নেতাদের বালু বাণিজ্য, নির্লিপ্ত প্রশাসন

    6

    সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক

    ঈদের প্রার্থনায় দেশ: দুর্নীতিমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের প্রত্যাশা

    ঈদের প্রার্থনায় দেশ: দুর্নীতিমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের প্রত্যাশা
    এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী

    ঈদের প্রার্থনায় যেন রাখি দেশটাকে। দুর্নীতিমুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্নটা যেন পূরণ হয় খুব তাড়াতাড়ি। এক পৃথিবী কল্যাণ যেন নেমে আসে দেশের মাটিতে।

    ‘ঈদ’ শব্দটির আড়ালে জড়িয়ে আছে আবেগ আর নানা বিশেষণ। হৃদয়ের গভীর থেকে উচ্ছাস প্রকাশের একটি উৎসব হচ্ছে ঈদ। হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের ভাব বিনিময়ের একটি উৎসব। যে উৎসবে একে অপরের প্রতি প্রকাশ করে হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর সমাগত। এটি মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সবাইকে সম্প্রীতির বন্ধনে বাঁধার সওগাত নিয়ে আসে ঈদ। এর আনন্দ থেকে ধনী-নির্ধন কেউ বঞ্চিত নন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়। ঈদের সকালে সর্বস্তরের মুসলিমরা ঈদগাহে আসেন নামাজ পড়তে। সেখানে একে অপরে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর ঘরে ঘরে চলে ফিরনি-পায়েসের আয়োজন। এর মধ্য দিয়ে সমাজে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন জোরদার হয়। একজন রোজাদারের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হলো, আল্লাহতায়ালার আদেশ অনুযায়ী, মাসব্যাপী রোজা রাখতে আল্লাহ তাকে তৌফিক দিয়েছেন। এ খুশি প্রকাশ করতেই রমজান মাস শেষ করে শাওয়াল মাসের ১ তারিখে ঈদের আনন্দে মিলিত হয়। আর এই দিনটির মাধ্যমে আল্লাহপাক মুমিনের জন্য সব বৈধ খাবার ও পানীয় এবং কাজকর্ম যা কিনা রোজার কারণে বিরত রেখেছিলেন, তার অনুমতি প্রদান করেন।

    ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। মুসলিম উম্মাহ বছরে দুটি ঈদ পালন করে। তা হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। একটি আসে পবিত্র মাহে রমজানে রোজা পালনের মাধ্যমে আর অপরটি আসে হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর মহান কোরবানির স্মৃতিরূপে পশু কোরবানির মাধ্যমে। একজন আল্লাহপ্রেমিক মাত্রই তার সব আনন্দ খোদার সন্তুষ্টি সঙ্গেই যুক্ত করে। ঈদের চাঁদ অর্থাৎ শাওয়ালের চাঁদ দেখার পর, তাকবির পড়তে হয় ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।’ অর্থাৎ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সব প্রশংসা আল্লাহর। এ ছাড়া ঈদের নামাজ পড়ানোর পর ইমাম সাহেব উচ্চঃস্বরে পাঠ করেন, আর ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়া ও আসার পথে এ তাকবির পাঠ করা উচিত।

    এবারের ঈদকে ঘিরে কিছু প্রত্যাশার কথা বলি। প্রথমেই আশা রাখি, গত আট বছর ধরে আমাদের ঈদকে মাটি করে দিয়েছে জাতীয় আপদ রোহিঙ্গা।গত বছর (২০২৫) কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের সাথে এক ইফতারে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আশা প্রকাশ করেছিলেন যে, রোহিঙ্গারা আগামী ঈদে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরের আগে পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাও মিয়ানমারে ফিরতে পারেননি। উল্টো মিয়ানমারে চলমান সংঘর্ষের কারণে নতুন করে আরও বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা, মাদক, অর্থনীতি,পর্যটন, শিক্ষা এবং স্থানীয় পরিবেশের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে, যা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পবিত্র ঈদে আমার অন্যতম দোয়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমাসনর পদাঙ্ক অনুসরন করে দ্রুত রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করা ।

    ২য় প্রত্যাশা হচ্ছে ঈদের যে সম্প্রীতি, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা, তা রাজনীতিতেও প্রতিফলিত হওয়া সময়ের দাবি। বিভেদ ও সংঘাত কাটিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও যদি ঈদের সেই উদারতা ও সহনশীলতা ছড়িয়ে পড়ে, তবে তা দেশের অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারে। ঈদের উৎসবে যেভাবে ধনী-দরিদ্র এবং বিভিন্ন মতের মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করে, রাজনীতিকরাও যদি একইভাবে জনকল্যাণে ঐক্যবদ্ধ হতে পারেন, তবে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে। রাজনীতিবিদরা একে অপরের প্রতি কাদা ছোঁড়াছুড়ি বন্ধ করে সহনশীল আচরণের মাধ্যমে রাজনীতি চর্চা করা সম্ভব। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও আলোচনার পথ প্রশস্ত হওয়া প্রয়োজন। ঈদের আনন্দ যেমন সবার মুখে হাসি ফোটায়, রাজনীতির মূল লক্ষ্যও হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং দুঃখ-কষ্ট লাঘব করা।

    এ বছর ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতাদের একসাথে ইফতার বা ঈদ উৎসবে শামিল হওয়ার দৃষ্টান্ত দেখা যাচ্ছে যা সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্প্রীতির বার্তাকে শক্তিশালী করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। ঈদের আনন্দ যেমন সব বিভেদ ভুলিয়ে দেয়, আমাদের রাজনীতিতেও যদি সেই ত্যাগের মহিমা ও সম্প্রীতির সুর ধ্বনিত হয়, তবেই একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ দেশ গঠন করা সম্ভব হবে।

    তৃতীয়ত, প্রযুক্তি-আসক্ত এই সময়ে ঈদে যেন আমরা বুকে বুক মেলাই বাস্তবে, কোলাকুলি করে ভুলে যাই ভেতরের সব খেদ। এরপর আশা রাখি, ঈদে বাড়িযাত্রা এবং ফেরা যেন নির্বিঘ্ন হয়। সড়কে যেন কোনো প্রাণ না ঝরে, নৌপরিবহনগুলো যেন কারণ না হয়ে দাঁড়ায় কোনো কান্নার। যেতে যেতে পথে পথে মানুষের ভোগান্তির চিত্র যেন দেখা না যায়। আত্মীয়-পরিজন মিলে কাঙ্ক্ষিত আনন্দ যেন ভাগ করে নেয়া যায়। মা-বাবা কিংবা প্রিয়জনের বুকে যেন নেমে আসে এক ফালি প্রশান্তি।

    চতুর্থত, এবারের ঈদে আমাদের অন্যতম প্রধান প্রত্যাশা বিশ্বজুড়ে সব ধরণের হামলা ও সংঘাতের অবসান ঘটুক এবং পৃথিবীতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক।

    বর্তমান বিশ্বে ইরান, ফিলিস্তিন, ইউক্রেনসহ বিভিন্ন জনপদে নিরীহ মানুষের আর্তনাদ আজ আকাশ-বাতাস ভারী করে তুলছে। উৎসবের এই দিনে যখন আমাদের শিশুদের হাতে নতুন পোশাক থাকার কথা, তখন অনেক শিশু যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের নিচে নিজেদের শৈশব খুঁজছে। এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ইসলামের মূল বাণী হলো শান্তি। ঈদ আমাদের সেই শিক্ষারই পুনরাবৃত্তি ঘটায় যে, সম্প্রীতি ও ভালোবাসা দিয়ে ঘৃণা ও সহিংসতাকে জয় করতে হবে।

    ঈদের এই শুভক্ষণে বিশ্বনেতাদের কাছে আমাদের আবেদন—ক্ষমতার লড়াই আর অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ করে মানবিকতাকে অগ্রাধিকার দিন। কোনো শিশুর চোখের পানি যেন উৎসবের আনন্দকে ফিকে না করে দেয়। সীমানা বা ধর্মের বিভেদ ভুলে মানুষ হিসেবে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর নামই প্রকৃত ঈদ। পরিশেষে, আমাদের একটাই চাওয়াবিশ্বের প্রতিটি কোণ থেকে যুদ্ধের কালো মেঘ সরে যাক। অস্ত্রের গর্জনের বদলে সেখানে ছড়িয়ে পড়ুক শিশুদের হাসির শব্দ। হিংসা ও সংঘাত মুক্ত এক শান্তিময় পৃথিবীর প্রত্যাশা ।

    আশা করি, ঈদকে ঘিরে বোনা সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা যেন পূর্ণ হয়। তা যেমন- রাজনীতিক- উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ধনাঢ্য ব্যবসায়ী-শিল্পী, সাহিত্য সম্পাদকের তেমনি দিনমজুর, রিকশাওয়ালাসহ খেটে খাওয়া সব মানুষের। এদেখা গেছে যে, উৎসব এলেই বাঙালির হৃদয়টা কেমন যেন বড় হয়ে যায়। সবাই ভাগাভাগি করে নিতে চায় উৎসবের আনন্দকে। বৈশাখের দাবদাহে পোড়া দুপুরে সড়কের আশেপাশে বাক্স-পেটরা নিয়ে বসে আছেন যে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কিংবা সবাই গেছে ‘শপিং মলে’ বলে দীর্ঘশ্বাস তোলা সবজিওয়ালা, লেইস-ফিতাওয়ালা তাদেরও স্বপ্ন পূরণ হোক। স্বপ্ন পূরণ হোক বঞ্চিত, দুখী মানুষেরও।

    আমি চাই, পত্রিকার ঈদ সংখ্যাগুলোও পাক পাঠকের মনে ঠাঁই। সৃষ্টির লক্ষ্যগামিতা একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিষয়। একটি উপলক্ষকে ঘিরে সৃজনশীল মন বহু ধারায় বিচরণ করতে পারে। জীবনের প্রাত্যহিকতার বিপরীতে তখন নতুন অরূপভিসারী হয়ে ওঠে মন। ঈদ তেমনি এক চিত্তশুদ্ধির প্রসন্ন উৎসব। তাই প্রত্যাশা রাখি ঈদকে কেন্দ্র করে সব সৃষ্টিশীলতার জয় হোক। ঈদকে ঘিরে প্রত্যাশা থাকুক, কোথাও যেন কোনো অপরাধ না ঘটে, দুর্ঘটনা না ঘটে, জানমালের কোনো ক্ষতি যেন না হয় কোনোভাবে। ঈদে স্বজন-পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়ানো একটি চিরচেনা রীতি। এ আনন্দও ছুঁয়ে যাক সবাইকে। শিশু আর বয়োবৃদ্ধদের প্রতি যেন থাকে বিশেষ নজর। ভ্রমণে বইও থাকতে পারে হাতে। অন্যদিকে, পর্যটন, বিনোদন কেন্দ্রগুলো ব্যবহারে যেন আমরা সতর্ক হই, পরিবেশবান্ধব হই। কেননা চারপাশটা তো আমাদেরই। গাছ-পাখি, জল সবই আমাদের বন্ধু।

    সহনশীলতা, সহাবস্থান ও পরমতসহিষ্ণুতার চর্চা হোক সমাজের সর্বত্র। ঘুচে যাক ধনী-দরিদ্র, উঁচু-নিচু ও ক্ষমতাবান-ক্ষমতাহীনের ফারাক। ঈদের আনন্দে ধুয়ে-মুছে যাক সব দুঃখ-গ্লানি। এই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে। ঈদুল ফিতর যে আনন্দের সওগাত নিয়ে এসেছে, তা সব মানুষের জন্য অর্থবহ হোক। আনন্দের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপন করার তৌফিক সবার হোক এই প্রত্যাশাই করি। ঈদ আমাদের সামষ্টিক জীবনে সম্প্রীতি ও শুভবোধের চর্চার অনন্য দৃষ্টান্তস্থাপন করুক, মানুষে মানুষে বৈষম্যের অবসান ঘটাক, এই কামনাই করি। ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ। ঈদের আনন্দ ছুঁয়ে যাক সবাইকে। সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

    লেখক: মহাসচিব, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম জাতীয় কমিটি, সিনিয়র সহ সভাপতি বাংলাদেশ ইউনিয়ন নপরিষদ ফোরাম ও চেয়ারম্যান পালংখালী ইউনিয়ন, পরিষদ, উখিয়া, কক্সবাজার।

    সম্পর্কিত খবর

    | কক্সবাজার
    কক্সবাজারে ২০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার তুলে দিল সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র
    ৭:১৬ PM
    | কক্সবাজার
    কক্সবাজারে ছওয়াব’র উদ্যোগে এতিম ও অসহায়দের মাঝে রামাদান ফুডপ্যাক বিতরণ
    ৬:২৪ PM
    | কক্সবাজার
    কক্সবাজারে এতিম শিক্ষার্থীদের সাথে একতা শক্তি যুব কল্যাণ সংস্থার ইফতার
    ১:২৪ PM
    | কক্সবাজার
    পালংখালীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিএনপি নেতাদের বালু বাণিজ্য, নির্লিপ্ত প্রশাসন
    ১২:৫২ PM
    | কক্সবাজার
    কলাতলীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ : মামলার ধারায় হেরফের করে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ
    ৫:৩৯ PM

    সংবাদ খুঁজুন