কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি দেওয়ার সংবাদে নড়েচড়ে বসেছে সংগঠনটির তৃণমূল নেতাকর্মী ও প্রশাসন। অনেকটাই বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে কার্যক্রম চালানো জামায়াতী মডেলে এবার দলটির কমিটি দেওয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র।
প্রচার পেয়েছে- কক্সবাজার জেলার স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়েছে যথাক্রমে একরামুল হুদা এবং আলী আহমেদকে। তবে বক্তব্য জানতে ফোন দিলে কাউকেই ফোনে পাওয়া যায়নি। এমনকি কল গেলেও রিসিভ করেননি আলী আহমেদ। গা ঢাকা দিয়েছেন উভয়েই।
অভিযোগ রয়েছে- দলটির এই দুরাবস্থার কালেও কমিটিগুলো দেওয়া হচ্ছে টাকার বিনিময়ে। অতীতেও প্রতিটি জেলা কমিটি কমপক্ষে ২ কোটি টাকার বিনিময়ে দেওয়া হয়েছিলো। কক্সবাজারের কমিটির দরমূল্য আরো বেশি; আক্ষেপ করে প্রতিবেদককে কথাগুলো বলছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে- কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কমিটিগুলো গুপ্ত মডেলেই হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে সংগঠনটি নির্বাচন কমিশন সহ রাষ্ট্রীয় আইনে বিতর্কিতই থেকে যাচ্ছে। দলের গঠনতন্ত্র ও সংবিধান লঙ্ঘন করে এধরণের কমিটি কতটা কার্যকারিতা পাবে সেই প্রশ্ন সচেতন মহলের।
পাশাপাশি গুপ্ত কমিটির কারণে নেতৃত্বে আসা নেতা ও সক্রিয় কর্মীরা রাষ্ট্রীয় বিধি বিধানের কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে চলে আসলে আইনী জটিলতায় পড়ে যেতে পারেন বলে শঙ্কার কথাও জানিয়েছেন কেউ কেউ।

