কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নিরাপত্তা ও পর্যটক সহায়তার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০১৯ সালের ৩০ মে যাত্রা শুরু করে বীচকর্মীদের একটি দল। অভিযোগ উঠেছে- প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই বীচকর্মীদের সুপার ভাইজার পদে দায়িত্ব পালন করে আসছে মাহবুব। সেই থেকে অদ্যবদি এই পদে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পুরো বীচকর্মীদের দলে একে একে পরিবারের ৯ সদস্যকে নিয়োগ দিয়েছেন। এভাবে পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ দিয়ে মাহবুব গড়ে তুলেছেন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এদের মাধ্যমে সৈকতের হকারদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি, অবৈধ কার্ড বাণিজ্য, দোকান বসানোর নামে সৈকতের বালিয়াড়ি দখল, পর্যটক হয়রানি এমনকি ছিনতাই কাজেও জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়োগকৃত বীচকর্মীদের দায়িত্বপালনের সময় নির্ধারিত পোশাক পরিধান করার নির্দেশনা দিলেও মাহবুব কখনোই এসব নির্দেশনার তোয়াক্কা করেন না। নিজের মর্জি মতো অফিসারদের বেশ ধারণ করে সাধারণ পোশাকে সৈকতে ঘুরে বেড়ান।

