উখিয়ার পালংখালীতে ইয়াবা, সিগারেট সহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্যের পাচার ও ছিনতাইয়ে শীর্ষে রয়েছে থাইংখালীর গফুর মিয়ার পুত্র শেখ রাশেদ। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে এলাকায় শক্তিশালী মাদক পাচার ও ছিনতাইকারী সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। শুধু তাই নয়- টাকার জোরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে এসব অপকর্ম করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। ফলে অপরাধ টেকাতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে প্রশাসন।
গত ১ মে (শুক্রবার) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টায় পালংখালী ইউনিয়নের ভাদিতলি এলাকায় একটি অটো-রিকশা থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার তথ্য অনুসন্ধানে নামলে বেরিয়ে আসে গফুর মিয়ার পুত্র শেখ রাশেদের নাম। ছিনতাইকৃত এসব মাদক রাশেদের নেতৃত্বে থাকা সিন্ডিকেটের সদস্যরা নিয়ে যায় বলে একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে। আরোও জানা যায়- ইয়াবাগুলো বালুখালী ফুটবল মাঠের পার্শ্ববর্তী ৯ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অনিবন্ধিত শরণার্থী লালা ওরফে লালুর (৩৮) মালিকানাধীন। তিনি আলোচিত শেখ রাশেদের মাধ্যমে প্রবেশ করাচ্ছিলেন। লালা স্বীকার করেছেন- এর আগেও অসংখ্যবার শেখ রাশেদের মাধ্যমে সিগারেট ও মাদক এনেছেন। তবে শুক্রবারে ছিনতাইকৃত ইয়াবাগুলোর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি মুখ খুলতে নারাজ।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়- শেখ রাশেদের পিতা গফুর মিয়াও উক্ত এলাকায় একজন মাদক কারবারী। মাদকে অর্জিত টাকার জোরে বনবিভাগের শত একর জমি দখল করে নিয়েছেন। এসব জমি রোহিঙ্গাদের বেচাবিক্রি ও ভাড়া দিয়ে কামাই করেছেন শত কোটি টাকা। সম্প্রতি গত ৮ মে (শুক্রবার) ছেলে শেখ রাশেদকে বিয়ে করান বালুখালীর কুখ্যাত ডাকাত ও মাদক কারবারী আজিজুল হক প্রকাশ জুলু ডাকাতের মেয়েকে। এই বিয়েতে তিনি কমপক্ষে অর্ধ কোটি টাকা ব্যায় করেছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

