সমুদ্রবেলা
  • সংবাদ
  • মতামত
  • খেলাধুলা
  • সংস্কৃতি
  • জীবনধারা
সমুদ্রবেলা-কে সহযোগিতা করুন
নিউজলেটারঅবদান রাখুন
লগইন
  • সংবাদ
  • মতামত
  • খেলাধুলা
  • সংস্কৃতি
  • জীবনধারা
সমুদ্রবেলা
সমুদ্রবেলা

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের গর্বিত সারথি

সম্পাদকঃ কামাল হোসেন আজাদ

মেরি ভবন, ভোলাবাবুর পেট্রোল পাম্পের পাশে, প্রধান সড়ক, কক্সবাজার। যোগাযোগ- 01731227807 মেইল- samudrabelabd@gmail.com.

সামাজিক মাধ্যমের সাথে থাকুন

বিভাগসমূহ

  • |সংবাদ
  • |মতামত
  • |খেলাধুলা
  • |সংস্কৃতি
  • |জীবনধারা

আমাদের সম্পর্কে

  • আমাদের কথা
  • যোগাযোগ
  • অভিযোগ
  • শর্তাবলী

সহায়তা

  • আমাদের সহযোগিতা করুন
  • নিউজলেটার
  • বিজ্ঞাপন দিন

© 2026 সমুদ্রবেলা মিডিয়া গ্রুপ। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

গোপনীয়তা নীতিকুকিজ নীতিঅ্যাক্সেসযোগ্যতা
    সম্পাদকীয়

    ডেস্ক নিউজ

    2026-02-17T13:14:15.000000Z

    পড়তে পারেন

    1

    ঈদগাঁওতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপনের দাবি আইনবিশারদ আহমদ ফারুকীর

    2

    সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই

    3

    আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে রোহিঙ্গাসহ ৯ জন উদ্ধার

    4

    মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি

    5

    পর্যটক হয়রানির অভিযোগ: চান্দের গাড়ি চালক রুবেলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    6

    কক্সবাজারে বস্তাবন্দী নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

    বিএনপিতে যোগ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না কৃষক লীগ নেতার

    বিএনপিতে যোগ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না কৃষক লীগ নেতার
    Arrest-699463638011a

    বিএনপিতে যোগ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকিরের। অবশেষে তাকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    আলী শাহ ফকির কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নীলফামারী জেলা পর্যায়ের নেতা এবং জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। একাধিক হত্যা ও নাশকতা মামলার পলাতক আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন।

    মঙ্গলবার দুপুরে ইটাখোলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে সদর থানা পুলিশ। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

    স্থানীয় সূত্র ও মামলার নথি অনুযায়ী, হেদায়েত আলী শাহ ফকির ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নীলফামারী সদরের রামগঞ্জ বাজার এলাকায় সংঘটিত বহুল আলোচিত ও ভয়াবহ ‘রামগঞ্জ ট্র্যাজেডি’ হত্যাকাণ্ডেও হেদায়েত আলী শাহ ফকির প্রত্যক্ষ সহযোগী ছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। ওই ঘটনায় অসংখ্য নিরপরাধ মানুষকে আসামি করে বছরের পর বছর জেল, রিমান্ড ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। অনেকেই বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে থাকতে বাধ্য হন।

    ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়, ৪ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজের ঘটনায়ও তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দিন জেলা শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়ি, রাজনৈতিক কার্যালয় ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক সহিংসতা চালানো হয়।

    ৫ আগস্ট পতিত স্বৈরাচার দেশত্যাগের পর হেদায়েত আলী শাহ ফকিরসহ একাধিক আওয়ামী সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের হয়।

    হেদায়েত আলী শাহ ফকিরের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য মামলাসমূহ হলো- রামগঞ্জ ট্র্যাজেডির ঘটনায় হত্যা মামলা, ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, ৪ আগস্ট জেলা বিএনপির কার্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অন্যান্য সহিংসতা ও নাশকতার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    নীলফামারী সদর থানার ওসি জিল্লুর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাকে আদালতে হাজির করে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

    সম্পর্কিত খবর

    | সম্পাদকীয়
    বাংলাদেশের পর্যটন: সুন্দরবন ও সেন্ট মার্টিনে বিদেশি পর্যটক বাড়ছে
    ১:১৫ PM
    | সম্পাদকীয়
    সেন্ট মার্টিন দ্বীপ: পরিবেশ সংরক্ষণে নতুন নিয়মাবলি
    ১:১৫ PM

    সংবাদ খুঁজুন